
কলারোয়া উপজেলার হিজলদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ এনে কলারোয়া প্রেসক্লাব সংবাদ সম্মেলন করেছেন তৌহিদুর রহমান।
২৬ অক্টোবর বিকাল ৫টায় কলারোয়া প্রেসক্লাবের কার্যালয়ে হিজলদী গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে তৌহিদুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন ২০/৯/২০২২ তাকে দৈনিক বাংলাদেশের খবর পত্রিকায় হিজলদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩ জন চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। আমি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নৈশ প্রহর পদে ১হাজার টাকার ব্যাংক ড্রপ সহ হিজলদী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক বরাবর আবেদন করি । উক্ত আবেদনের পরবর্তীতে কোন কার্যক্রম হওয়ার আগেই এলাকায় প্রচার হয়েছে যে উক্ত নৈশ প্রহরি পদে বড়ালী গ্রামের শাজাহান হুজুরের ছেলে আলী হোসেন ১০ লক্ষ টাকা অবৈধ লেনদেন করেছে।
তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরো উল্লেখ করেন, চতুর্থ শ্রেণীর ৩ টি পদে আবেদনকারী সংখ্যা আনুমানিক ২২ জন। কিন্তু বিধি মোতাবেক লিখিত পরীক্ষা মৌখিক পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও ৩ জনের চাকরি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে এলাকার মানুষের মুখে মুখে শোনা যায়। সে কারণে আমি একজন প্রার্থী হিসাবে আশঙ্কায় আছি।
উল্লেখ হিজলদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তিনবারে সভাপতি প্রভাষক নুরুল ইসলাম ও ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্য এবং প্রধান শিক্ষক সহ সকলে মিলে চুরি করে গোপনে নিয়োগ বোর্ড তৈরি করে দুর্নীতির মাধ্যমে লোক দেখানো নিয়োগ দিতে পারে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ইতিপূর্বেই বর্তমান সভাপতি প্রভাষক নুরুল ইসলাম ২০১০ সালের উক্ত বিদ্যালয়ে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পরে সরকারি শিক্ষিকা বিউটি সরকারকে মোটা অংকে টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিয়েছিল। ২০১৩ সালে আবারো প্রভাষক নুরুল ইসলাম দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হওয়ার তার স্ত্রী নাসিরা খাতুন সহকারী শিক্ষক( কম্পিউটার) পদে নিয়োগ দিয়েছিলো। আবারো ২০২২ সালের স্বঘোষিত সভাপতি হয়ে তিনটি চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী পদে দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার জন্য পাঁয়তারা করছে।
সংবাদ সম্মেলনের অভিযোগে আরো বলেন, এমত অবস্থায় যাহাতে কোন প্রকার ঘন ষড়যন্ত্র করে দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ না দিতে পারে তার জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় ও কলারোয়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয় সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে যোগ্য ব্যক্তির চাকরি নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
