ব্রিজ পার হতে হয় নৌকায় চড়ে, এ যেন এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি

Admin

সেপ্টেম্বর ২৭ ২০২১, ১২:০৯

নৌকায় চড়ে মই বেয়ে ব্রিজ পার হতে হয় রাঙামাটির লংগদু উপজেলার আটারকছড়া ইউনিয়নের মানুষকে।

ব্রিজটি নির্মাণের পর দীর্ঘ ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও নির্মিত হয়নি কোন সংযোগ সড়ক। মানুষের এই দুর্ভোগ যেন কারোর চোখেই পড়ছে না।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়।

আটারকছড়া ইউনিয়নে মিজান মুন্সীর বাড়ির সামনে মাইনী নদীর ওপর নির্মাণ করা হয় সড়কবিহীন এই সেতু।

ব্রিজটির এক পাশে আটারকছড়া অপর পাশে মিজান মুন্সির বাড়ি। এখানে ৬০-৭০টি পরিবারের বাস। সড়ক না থাকায় নৌকায় চড়ে মই বেয়ে ব্রিজ পার হন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, চলাচলে যেমন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তেমনি স্থানীয় উৎপাদিত কৃষি পণ্য পারাপারেও বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে মই দিয়ে যাতায়াত করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে সেটাও কষ্টকর।

মিজান মুন্সী জানান, মই দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে অনেকে মই থেকে পড়ে আহত হয়েছেন। মই দিয়ে সেতু পার হওয়া  নারী শিশু ও বয়স্কদের জন্য ঝুকিঁপূর্ণ। শিগগিরই সংযোগ সড়ক তৈরি করা দরকার।

আটারকছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মঙ্গল কান্তি চাকমা বলেন, ব্রিজটি অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। এলাকার জনগণকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী বলেন, যেসব কাজ শুরু হয়েছে কিন্তু শেষ হয়নি, আগামী অর্থ বছরে সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে সম্পন্ন করার চেষ্টা করব, যেনো এলাকার জনগণ উপকার পায়।