
কাজিপুর(সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি।।সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার দুবলাই গ্রামে নিজেদের বসতভিটা কেটে জোরপূর্বক রাস্তা বানাতে নিষেধ করায় প্রতিপক্ষের হামলায় মহিলা সহ ৪ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২২শে জুন সকাল ৯ টায়।
কাজিপুর থানায় দেওয়া অভিযোগ ও সরে জমিনে গিয়ে জানা যায়, প্রায় বছর দশেক আগে বাংলাবাজারের আশরাফ আলী যমুনা নদীর ভাঙ্গনে বাড়িঘর হারিয়ে আপন ভায়রা গান্ধাইল ইউনিয়নের দুবলাই গ্রামের মৃত আজহার আলীর জমিতে ঘর দরজা তুলে বসবাস করে আসছিলো। সম্প্রতি ঘরগুলোর সংস্কারের প্রয়োজন হয়।
সে অনুযায়ী সে বসতভিটা থেকে ঘর গুলি অপসারণ করে নতুন করে সংস্কারের ব্যবস্থা নেয়, অপরদিকে প্রতিপক্ষ একই গ্রামের বন কর্মকর্তা আব্দুল কুদ্দুস সহ তার সহযোগীরা অপসারনকৃত ঘরভিটা থেকে কিছু জায়গা নিয়ে একটা নতুন রাস্তা নির্মাণের দাবি জানায়।
এতে প্রতিবেশী আব্দুস সালাম মাস্টার জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের কারণ জানতে চাইলে প্রতিপক্ষ কুদ্দুস ও তার সহযোগীরা আব্দুস সালামকে বেদম মারপিট করে এ সময় আব্দুস সালামেরব স্ত্রী আলেয়া বেগম স্বামীকে প্রতিপক্ষের হমলার হাত থেকে বাঁচাতে গেলে প্রতিপক্ষ কুদ্দুস আলী গংরা আলেয়া বেগমকে মারপিট করে এমনকি সালাম মাষ্টারকে সহযোগিতা করতে আসায় আনোয়ার হোসেন, ও আবুল কালাম আজাদ নামের আরো ২ জন প্রতিপক্ষের মারপিটের শিকার হন।
এদের মধ্যে আব্দুস সালাম এর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সিরাজগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আশরাফ আলী জানান নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে ভায়রার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি প্রতিপক্ষরা অন্যায় ভাবে আমাকে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের হুমকি দিচ্ছে।
মারপিটের শিকার গ্রামের প্রবীণ মুরুব্বী আব্দুস সালাম জানান, গ্রামের পাশ দিয়ে সরকারিভাবে একটা রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। সেই রাস্তা দিয়ে যথারীতি চলাফেরা করা যায়। অথচ ব্যক্তিগত সম্পত্তির উপরে অবৈধ রাস্তা নির্মাণের পায়তারা চলছে।
অপরদিকে অভিযুক্ত বন কর্মকর্তা আব্দুল কুদ্দুস জানান ওই বাড়ির পাশে আগে থেকে রাস্তা ছিলো। আমরা নতুন করে সামান্য একটু জায়গা চেয়েছি যাতে করে যাতায়াত সহজতর হয়।
