বেত্রাবতী ডেস্ক।। যশোরের শার্শার বাগআঁচড়া কবরস্থান থেকে মোজাম্মেল হক নামের কিশোরগঞ্জের এক সৌদি প্রবাসীর লাশ উত্তোলন করে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে ।
বৃহঃস্পতিবার সন্ধ্যায় বাগআঁচড়া কবরস্থান থেকে এ লাশটি উত্তোলন করা হয়। মৃত মোজাম্মেল হক কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার জবডব গ্রামের মৃত তৈয়ের আলীর ছেলে।
জানা গেছে, অভাবের সংসারের স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার জন্য দীর্ঘ ২৫ বছর সৌদিতে প্রবাস জীবন যাপন করছিলেন মোজাম্মেল হক। গত ১৭ জুলাই হঠাৎ স্টোক জনিত কারনে তার মৃত্যু হয়। এদিকে শার্শার বাগুড়ী গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে সৌদি প্রবাসী রুবেল হোসেন গত ৩ জুলাই সৌদিতে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন। উভয়ের লাশ সৌদিতে একই হিমাগারে রাখা হয়। কিন্তু কতৃপক্ষের ভুল শনাক্তের কারনে মোজাম্মেল হকের মর দেহটি শার্শার বাগুড়ী গ্রামে পৌছালে বুধবার রাতে বাগআঁচড়াস্হ কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এমতাবস্থায় মৃত মোজাম্মেল হকের সৌদি প্রবাসী এক ভাইপো তার মৃত্যু দেহ কফিন করার সময় দেখতে পায় যে লাশটি তার চাচা মোজাম্মেল হকের নয়। শার্শার বাগুড়ী গ্রামের সৌদি প্রবাসী রুবেলের মৃত্যু দেহ। সে জানতে পারে রুবেলের পরিবর্তে তার চাচা মোজাম্মেল হকের লাশ শার্শার বাগুড়ী গ্রামে পৌঁছে গেছে। এই সংবাদটি সে তার দেশের বাড়ী পৌঁছে দিলে মোজাম্মেল হকের ভগ্নিপতি কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার জবডব গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে ইনামুল হক সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে স্থানীয় কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাব হোসেন শরণাপন্ন হয়।
এসময় স্থানীয় চেয়ারম্যান ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতে বৃহস্পতিবার সন্ধায় মোজাম্মেল হকের লাশটি কবর থেকে উত্তোলন করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এব্যাপারে শার্শার কায়বা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান আলতাব হোসেন বলেন,কিশোরগঞ্জ সৌদি প্রবাসী মোজাম্মেল হকের মরদেহটি ভুল বসত কায়বার বাগুড়ী গ্রামে পৌছালে তার পরিচয় না পাওয়ায় বুধবার রাতে স্থানীয়রা দাফন করেছিলো। পরে তার পরিবারের লোকজন তার মর দেহটি শনাক্ত করলে লাশটি উত্তোলন করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এবিষয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নারায়ণ চন্দ্র পালের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,স্থানীয় চেয়ারম্যান বিষয়টি
সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুজ্জামান আরিফ, অফিস: বাগআচঁড়া,যশোর
Copyright © 2026 বেত্রাবতী নিউজ২৪. All rights reserved.